আজ সন্ধ্যায় বাজারে অল্প একটু আড্ডা মারার অভিজ্ঞতা

আমি একজন হিন্দু, ভারতীয়, গণতান্ত্রিক শান্তিপ্রিয় নাগরিক।

আমি হিন্দু বলার একটাই কারণ আমি জন্মগ্রহণ করার সময় হিন্দু মায়ের গর্ভেই জন্ম গ্রহন করেছি তাই প্রথমে আমি হিন্দু। তারপর এই ভারতবর্ষে আমি জন্মগ্রহণ করেছি তাই আমি ভারতীয়। আঠারো বছর বয়স থেকে ভোট দিয়েছি,যেহেতু গণতান্ত্রিকভাবে ভোট প্রদান করতে হয় তাই আমি গণতান্ত্রিক নাগরীক। শান্তি প্রিয়? হিন্দুরা বরাবরই মানবতার পক্ষে, আজ যারা মানবতার পক্ষেই হয় তারা বরাবরই শান্তিপ্রিয় হয় তাই হিন্দুরা শান্তিপ্রিয় আমিও একজন শান্তিপ্রিয়।

তবে রাস্তাঘাটে চলার সময় চোখ কান নাক মুখ এই ইন্দ্রিয় গুলো কে সঠিকভাবে কাজ করাতে হয়। আমিও তাই করি।

তাই বাজারে আজকেরে মুসলমানদের মধ্যে আলোচনা শুনে আমি যা বুঝলাম ভাইজানকে ভোট দিতে হবে আর সেই জন্য তাদেরকে অর্থাৎ মুসলমানদেরকে সিপি আইএম এ ভোট দিতে হবে। সিপিআইএমের ভোট দিলে ভাইজানের ভোট দেওয়া হবে। এই আলোচনা থেকে আমার একটা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীরকাছে জিজ্ঞাসা যে আপনি বলেছিলেন যে গরু দুধ দেয় তার লাথি খেতে হয়। কিন্তু আপনি তো গরু পালন করেননি। আপনি যদি গরু পালন করতেন তাহলে দুধ খেতে গেলে লাথি খাওয়া কথাটা মানতে পারতাম। আমি তো দেখছি আপনি দুধ,কলা দিয়ে কালসাপ পুষেছেন। তাই কাল সাপ তো ছোবল মারবেই।

তাই আপনি যা মুসলিম তোষণ করেছে যার ফলে বড় সংখ্যক হিন্দুরাও আপনার কাছ থেকে সরে গিয়েছে আর এখন সব রকম সুবিধা নিয়ে মুসলমানেরাও আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। কারণ ধর্মের টান যে অনেক বেশি। ভাই ভাইজান’ ডাক দিয়েছে আর কি হিন্দুদের কথা শোনা যায়?

তাই সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমার কাতর মিনতি এখনও পর্যন্ত সময় আছে সতর্ক হোন তোষণের এবং তুষ্টিকরণ রাজনীতি বন্ধ করুন। রাজনীতি গত দিক থেকে ভারতীয় হিসাবে দেশকে রক্ষা করুন। গণতান্ত্রিক নাগরিক হিসাবে গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন এবং সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রের স্বীকৃতি দিন। তুষ্টিকরণ বন্ধ করুন।🙏🙏🙏🙏🙏

রাজকুমার সরদার, সভাপতি, হিন্দু মিলন সংঘ

This entry was posted in Blog and tagged , . Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *